পুণ্যভূমি ডেস্ক
অক্টোবর / ১০ / ২০২২
সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর বিধিমালা চূড়ান্ত করে ও তা অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সিলেট মহানগর শাখা। সোমবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন ও সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে উপ- পরিচালক স্থানীয় সরকার সিলেট মোঃ মামুনুর রশীদ এর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন নিসচা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও আজীবন সদস্য জহিরুল ইসলাম মিশু, সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি রোট. এম. ইকবাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাদি পাবেল, সহ-সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান খান মুন্না, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদুজ্জামান তফাদার মুক্তার, প্রচার সম্পাদক আহসান হাবীব, সদস্য মনসুর আহমদ, রোমান খান প্রমুখ।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ প্রণীত হয়। সে সময় জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা থাকা সত্তে¦ও এখনো আইনটির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হয়নি। কারণ দীর্ঘ চার বছর অতিক্রান্ত হলেও আইনটির বিধিমালা এখনো প্রণীত হয়নি। যার ফলে মূলত আইনটি অর্কাযর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ কেউই কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারছেন না। এছাড়া সড়ক দুর্ঘটনার জন্য জাতিসংঘ পাঁচটি অতি ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়ের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছে। এই পাঁচটি ঝুঁকিপূর্ণ বিষয় হচ্ছে গতি, হেলমেট, সিটবেল্ট, মদ্যপান অবস্থায় গাড়ি চালনা ও শিশু আসন। এই পাঁচটি ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়ে নিশ্চিত ও বাস্তবায়ন করতে হলে আইনের যথাযথ প্রয়োগ অপরিহার্য। এছাড়া সড়ক পরিবহন আইন পুরোপুরি প্রয়োগে বিআরটির কারিগরি সক্ষমতা বাড়াতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষ করে ট্রাফিক বিভাগের সাথে সংশ্লিষ্টদের উপযুক্ত ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করা, চালক, মালিক পথচারী ও যাত্রীদের আইন সম্পর্কে জানাতে প্রচার মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার ও সড়ক ব্যবহারকারীর সকলকেই নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে বিশেষ কর্মশালার গুরুত্ব রয়েছে। এই বিষয় গুলো সড়ক পরিবহন আইনের বিধিমালায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার দাবি জানানো হয়।
এদিকে স্মারকলিপি প্রদান করেছে নিসচা গোলাপগঞ্জ শাখা
সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর বিধিমালা চূড়ান্ত ও অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১১ঘটিকায় নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)’র গোলাপগঞ্জ উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যামে প্রধানমন্ত্রী বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করেন। সকালে গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ মৌসুমি মান্নান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নিরাপদ সড়ক চাই গোলাপগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি ইলিয়াস আহমদ সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা মুসা, কামাল আহমদ,সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন মাহমুদ, সহ- সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ, সুমন আলী, প্রচার সম্পাদক মোঃ শাহ আলম,আইন বিষয়ক সম্পাদক, শামীম আহমদ,নির্বাহী সদস্য মোঃ এহসান আহমদ,সাহেন আহমদ,মোঃ জিয়া উদ্দিন, প্রমুখ।
স্মারকলিপিতে প্রধানমন্ত্রীকে অবগত করা হয়, নিরাপদ সড়ক চাই নিসচা সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ২৯ বছর ধরে দেশ ব্যাপী সামাজিক কার্যক্রম করে আসছে। দেশ ও বিদেশে সংগঠনের ১২০টি শাখার স্বেচ্ছাসেবী সড়ক যোদ্ধারা রাত-দিন নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যার স্বীকৃতি স্মরূপ ২২ অক্টোবর জাহানারা কাঞ্চনের মৃত্যুর দিনটিকে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ঘোষণা করেছেন, এ জন্য নিসচা কৃতজ্ঞ। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে বিশ্বে প্রতিবছর ১০ লক্ষ ৩৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।
৫০ লক্ষ মানুষ পঙ্গুত্ববরণ করে। এশিয়ার দেশ সমূহের মধ্যে বাংলাদেশে প্রতিবছর মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ২৫ হাজার। জাতি সংঘ টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা অর্জনে ২০৩০ সালের মধ্যে মৃত্যু হার ৫০% কমিয়ে আনতে প্রতিটি দেশকে তাগিদ দিয়েছে। নিসচা’র দাবীর প্রেক্ষিতে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ প্রণীত হয়, এতে জনগণের মধ্যে স্বস্থি ফিরে আসে।
কিন্তু দুঃখের বিষয় ৪ বছর অতিক্রান্ত হলেও বিধিমালা প্রণীত হয়নি। যার ফলে আইনটি অকার্যকর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এ কারণে প্রশাসন, আইন শৃংখলা বাহিনী সহ কেউই কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারছে না। এছাড়া জাতিসংঘ সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম ৫ পিলার চিহ্নিত করেছে যার মধ্যে, সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, ঝুঁকিমুক্ত যানবাহন, সচেতন সড়ক ব্যবহারকারী অন্যতম। ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ বিষয় হচ্ছে গতি, হেলমেট, সিটবেল্ট, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ী চালানো ও শিশু আসন। স্মারকলিপির মাধ্যমে সড়ক পরিবহন আইন দ্রুত পুরোপুরি কার্যকর করার দাবী জানান নিসচা নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও জুড়ীতে উপজেলা নিসচা'র স্মারকলিপি প্রদান
সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর বিধিমালা চূড়ান্ত ও অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (১০ অক্টোবর) নিরাপদ সড়ক চাই নিসচা জুড়ী উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোনিয়া সুলতানার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রতন কুমার অধিকারী, উপজলা মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজার মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, নিসচা জুড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি সাইফুল ইসলাম সাইফ, সহ-সভাপতি প্রভাষক লিটন রঞ্জন দত্ত, সাধারণ সম্পাদক মো: সিরাজুল ইসলাম জসীম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: মনিরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মুহিবুর রহমান এবং সমাজসেবা ও ক্রীড়া সম্পাদক ফখরুল আবেদীন রুবেল প্রমুখ।
স্মারকলিপিতে জানানো হয়, নিরাপদ সড়ক চাই নিসচা সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ২৯ বছর ধরে দেশব্যাপী সামাজিক কার্যক্রম করে আসছে। দেশ ও বিদেশে সংগঠনের ১২০টি শাখার স্বেচ্ছাসেবী সড়ক যোদ্ধারা রাত-দিন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যার স্বীকৃতি স্মরূপ ২২ অক্টোবর জাহানারা কাঞ্চনের মৃত্যুর দিনটিকে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ঘোষণা করেছেন, এ জন্য নিসচা কৃতজ্ঞ। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে, বিশ্বে প্রতিবছর ১০ লক্ষ ৩৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।৫০ লক্ষ মানুষ পঙ্গুত্ববরণ করে।
এশিয়ার দেশ সমূহের মধ্যে বাংলাদেশে প্রতিবছর মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ২৫ হাজার। জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা অর্জনে ২০৩০ সালের মধ্যে মৃত্যুহার ৫০% কমিয়ে আনতে প্রতিটি দেশকে তাগিদ দিয়েছে। নিসচা’র দাবীর প্রেক্ষিতে সড়ক দুর্ঘটনারোধে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ প্রণীত হয়, এতে জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে।
কিন্তু দুঃখের বিষয় ৪ বছর অতিক্রান্ত হলেও বিধিমালা প্রণীত হয়নি। যার ফলে আইনটি অকার্যকর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এ কারণে প্রশাসন, আইন শৃংখলা বাহিনী সহ কেউই কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারছে না। এছাড়া জাতিসংঘ সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম ৫ পিলার চিহ্নিত করেছে যার মধ্যে সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, ঝুঁকিমুক্ত যানবাহন, সচেতন সড়ক ব্যবহারকারী অন্যতম। ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ বিষয় হচ্ছে গতি, হেলমেট, সিটবেল্ট, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ী চালানো ও শিশু আসন। স্মারকলিপির মাধ্যমে সড়ক পরিবহন আইন দ্রুত পুরোপুরি কার্যকর করার দাবী জানান নিসচা নেতৃবৃন্দ।
বিয়ানীবাজার নিসচা’র স্মারকলিপি
সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর বিধিমালা চূড়ান্ত ও অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। সোমবার নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)’র বিয়ানীবাজার উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যামে প্রধানমন্ত্রী বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করেন। সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পক্ষে তার কার্যালয়ে স্বাক্ষরলিপি গ্রহন করেন উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানিয়া আক্তার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নিরাপদ সড়ক চাই বিয়ানীবাজার উপজেলা শাখার সভাপতি কামরুল হাসান লোদী রাজু, সাধারণ সম্পাদক শফিউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুতাহের রাজু, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক শামিম আহমদ, অইনবিষয়ক সম্পাদক মাছনুন আহমদ, সাংবাদিক আহমদ রেজা চৌধুরী, কার্যনির্বাহী সদস্য রেজওয়ানূর আলম রাহাত, সালমান আহমদ রাফি, আমজাদ হোসেইন।
স্মারকলিপিতে প্রধানমন্ত্রীকে অবগত করা হয়, নিরাপদ সড়ক চাই নিসচা সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ২৯ বছর ধরে দেশ ব্যাপী সামাজিক কার্যক্রম করে আসছে। দেশ ও বিদেশে সংগঠনের ১২০টি শাখার স্বেচ্ছাসেবী সড়ক যোদ্ধারা রাত-দিন নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যার স্বীকৃতি স্মরূপ ২২ অক্টোবর জাহানারা কাঞ্চনের মৃত্যুর দিনটিকে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ঘোষণা করেছেন, এ জন্য নিসচা কৃতজ্ঞ। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে বিশ্বে প্রতিবছর ১০ লক্ষ ৩৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।
৫০ লক্ষ মানুষ পঙ্গুত্ববরণ করে। এশিয়ার দেশ সমূহের মধ্যে বাংলাদেশে প্রতিবছর মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ২৫ হাজার। জাতি সংঘ টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা অর্জনে ২০৩০ সালের মধ্যে মৃত্যু হার ৫০% কমিয়ে আনতে প্রতিটি দেশকে তাগিদ দিয়েছে। নিসচা’র দাবীর প্রেক্ষিতে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ প্রণীত হয়, এতে জনগণের মধ্যে স্বস্থি ফিরে আসে।
কিন্তু দুঃখের বিষয় ৪ বছর অতিক্রান্ত হলেও বিধিমালা প্রণীত হয়নি। যার ফলে আইনটি অকার্যকর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এ কারণে প্রশাসন, আইন শৃংখলা বাহিনী সহ কেউই কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারছে না। এছাড়া জাতিসংঘ সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম ৫ পিলার চিহ্নিত করেছে যার মধ্যে, সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, ঝুঁকিমুক্ত যানবাহন, সচেতন সড়ক ব্যবহারকারী অন্যতম। ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ বিষয় হচ্ছে গতি, হেলমেট, সিটবেল্ট, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ী চালানো ও শিশু আসন। স্মারকলিপির মাধ্যমে সড়ক পরিবহন আইন দ্রুত পুরোপুরি কার্যকর করার দাবী জানান নিসচা নেতৃবৃন্দ।