পুণ্যভুমি ডেস্ক
অগাস্ট / ০৪ / ২০২২
একারের ভয়াবহ বন্যার ছোবলে ক্ষতি বিক্ষত হয়ে পড়েছে ওসমানীনগরের গোয়ালাবাজার-বালাগঞ্জের ইলাশপুর সড়ক। সড়কে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। এককেটি গর্ত যেন এককেটি মরণ ফাঁদ। ঝুকি নিয়ে প্রতিদিন চলাচল করছে যানবাহন। সকড়টির নিয়মিত সংস্কার না করা এবং বন্যার করালগ্রাসে সড়কটিতে এখন ক্ষত-বিক্ষত চিত্র দেখা যায়।
খানাখন্দের বেহাল অবস্থায় গাড়ি চলাচলের কারণে বিভিন্ন সময় ঘটছে দুর্ঘটনা। সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, ওসমানীনগরের গোয়ালাবাজার-বালাগঞ্জের ইলাশপুরের ১৬ কিলোমিটারের সড়কের প্রায় স্থানে খানাখন্দকের সৃষ্টি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি গর্ত ও ভাঙন দেখা দিয়েছে কালাসারা হাওরের অংশে। বিষয়টি নিয়ে পথযাত্রী ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। সর্বত্রই কম-বেশি একই চিত্র লক্ষ করা যায়। সড়কের এই বেহাল দশায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া। রয়েছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি। চলাচলকারী যানবাহনগুলো বিভিন্ন সময় শিকার হচ্ছে নানা দুর্ঘটনার।
নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান যন্ত্রাংশ ও টায়ার। এ সড়কের দ্রুত সংস্কার এখন এলাকার মানুষের প্রাণের দাবি। এ সড়ক দিয়ে এলাকার অর্ধশতাধিক গ্রামের হাজার হাজার মানুষ চলাচল করেন প্রতিদিন। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের গোয়ালাবাজার আসতে এ রাস্তাটি একমাত্র সুবিধাজনক মাধ্যম। যোগাযোগের সুবিধার্থে সুদূর ফেঞ্চুগঞ্জ ও রাজনগর উপজেলার মানুষ এ রাস্তা দিয়ে আসা-যাওয়া করেন। কর্তৃপক্ষের নজরদারি না থাকার কারণে শুকনো মৌসুমে ভারি যানবাহন চলাচলের কারণে রাস্তাটি নরবড়ে হয়ে পড়ে ছিল। দেখা দিয়েছে ভাঙনের। এখনই রাস্তার সংস্কার না করা হলে ভাঙন রোধ করা যাবে না বলে জানান স্থানীয়রা।
অটোরিক্সা চালক খলকু মিয়া জানান, এবারের ভয়াবহ বন্যায় রাস্তাটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। যাত্রীদের চলাচলের সমস্যার পাশাপাশি আমাদের গাড়িরও সমস্যা হচ্ছে। আমরা গুরুত্বপূর্ণ এসড়কের দ্রুত সংস্কার চাই। বালাগঞ্জ উপজেলা এলজিআরডি কার্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ার মোস্তাকিম হোসাইন সাঈদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, রাস্তার বেহাল অবস্থার আমরা দেখেছি।
এ ব্যাপারে সংস্কারের জন্য ঢাকা লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। আশা করি দ্রুত সংস্কার করা হবে। উল্লেখ্য, গোয়ালাবাজার-ইলাশপুর ১৬ কিলেমিটার রাস্তা ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২৪ তারিখ উদ্বোধন করেন, সাবেক সংসদ সদস্য এম ইলিয়াস আলী। রাস্তাটি নির্মাণ করেছিলো স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে মেসার্স এন আলম।