নিজস্ব প্রতিবেদক
সেপ্টেম্বর / ১৩ / ২০২২
সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নাসির উদ্দিন খান। ইতিমধ্যে তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। বিএনপিও কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বর্তমান সরকারের অধীনে জাতীয় বা স্থানীয় কোন নির্বাচনে যাচ্ছেনা। এ প্রসঙ্গে সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী দৈনিক পুণ্যভূমি কে বলেন বিএনপি এ সরকারের অধীনে ইউপি নির্বাচনে যায় নাই,উপজেলাতেও যায় নাই সুতরাং জেলা পরিষদ নির্বাচনে যাওয়ার প্রশ্নই উঠেনা।
তাহলে এবার নতুন আলোচনায় চেয়ারম্যান পদে কে বা কারা হচ্ছেন নাসির উদ্দিন খানের প্রতিদ্বন্দ্বী?
আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন দৌঁড়ে নাসির খানের সাথে ছিলেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সাদ উদ্দিন আহমদ, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বিজিত চৌধুরী ও বর্তমান প্রশাসক কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদীন। তবে নাসির উদ্দিন খানকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচনে যাচ্ছেন না তারাও।এবং তারা এও উল্লেখ করেছেন এডভোকেট নাসির খানের পক্ষে কাজ করে যাবেন।
যেহেতু বিএনপি নির্বাচনে যাচ্ছে না, তাহলে এখন অন্য কোনো দল কিংবা স্বতন্ত্র থেকে প্রার্থী না হলে ওয়াকওভারই পাবেন আওয়ামী লীগের এই হেভিওয়েট প্রার্থী। বিনা ভোটে নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর।
সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সাদ উদ্দিন আহমদ বলেন, আমি কোনো দিন সংগঠনের মতের বাইরে যাইনি, বিদ্রোহ করিনি। দল যাকে মনোনয়ন দিয়েছে, তার পক্ষেই কাজ করবো। আর মনোনয়ন ফরমে লেখাই আছে, দল যাকে দেবে, তার জন্য কাজ করতে, আমি তাই করবো।
সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বিজিত চৌধুরীর অনুসারী নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হবেন না।
সিলেট জেলা পরিষদের বর্তমান প্রশাসক ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদীন বলেন, আমার কাছে নেত্রী ও দলের নির্দেশনাই বড়। জেলার সাধারণ সম্পাদককে দলীয় প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। আমি তাঁর জন্য কাজ করে যাব। এজন্য জেলা পরিষদের সদস্য পদেও দাঁড়াবো না।
তবে বিশ্বস্ত সুত্রে জানা গেছে আওয়ামী লীগের কেউ প্রার্থী না হলেও স্বতন্ত্র থেকে প্রার্থী হতে পারেন বিগত জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রয়াত অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী অধ্যক্ষ এনামুল হক সরদার। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫৫৩ ভোট পেয়েছিলেন। এনামুল হক সরদারের এবারও প্রার্থী হয়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
অধ্যক্ষ এনামুল হক সরদার বলেন, বিগত জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আমি নির্বাচন করেছি। কিন্তু এখনো এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করিনি। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতির বিষয়ে আজ বুধবার সিদ্ধান্ত নেব।