আবীর মো. মুমিত
অগাস্ট / ১২ / ২০২২
আমাদের অতীত এবং বর্তমান সময়ের ব্যবধান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা উচিত
---------হোসেন জিল্লুর রহমান
ড. হোসেন জিল্লুর রহমান একজন শিক্ষাবিদ, অর্থনীতিবিদ,এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি), বেসরকারি সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান ব্র্যাকের চেয়ারপার্সন ও বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা থাকাকালীন বাণিজ্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, যুক্তরাজ্য আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিভাগ, ডেনিশ আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা, সুইডিশ আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা, টেকসই উন্নয়ন কমিশন, অ্যাকশন এইড, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও জাতীয় সংস্থার পরামর্শদাতা ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের নীতি নির্ধারক ও সুশীলদের একজন হিসেবে পরিচিত।
হেলদি বাংলাদেশের চেয়ারম্যান হয়ে দীর্ঘদিন থেকে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের উন্নয়নে,সমাজের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন নিরলসভাবে।সুযোগ হয়েছে হোসেন জিল্লুর রহমানের সাথে হেলদি বাংলাদেশে কাজ করার দৈনিক পুণ্যভূমির সম্পাদকের।
ড.হোসেন জিল্লুর রহমান তাঁর বাবার চাকুরীর সুবাদে ছাত্র জীবন শুরু শাহজালালের পুণ্যভূমি সিলেটে। তাঁর বাবা ডা. আব্দুল মতিন সিলেট সদর হাসপাতালের ডাক্তার ছিলেন, মা জোহরা বেগম ছিলেন গৃহিণী। থাকতেন সিলেট শহরের কুয়ারপারে। হোসেন জিল্লুর রহমান সহ বড় ভাইয়ের স্কুল জীবন শুরু হয় সিলেট শহরের লামাবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (তৎকালীন যা ছিল পাদ্রী স্কুল)।
বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) বিকেলে স্ত্রী ভাই-বোন সবাইকে নিয়ে আসেন স্মৃতি বিজড়িত বাসা এবং স্কুলটি দেখতে। তাঁকে দৈনিক পুণ্যভূমির পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান প্রকাশক ব্যারিস্টার মোস্তাকিম রাজা চৌধুরী, সম্পাদক আবু তালেব মুরাদ এবং স্টাফ রিপোর্টার আবির মো: মুমিত। ড.হোসেন জিল্লুর রহমান দৈনিক পুণ্যভূমির কাছে বাল্যজীবনের স্মৃতিচারণ এবং বর্তমানের অনুভূতি বলতে গিয়ে বলেন- অতীত ভুলা বড়ই কঠিন, অতীতকে শ্রদ্ধা রেখে এবং স্মরণে রেখে জীবনের চলার পথ অতিবাহিত করতে হবে।
আমাদের অতীত এবং বর্তমান সময়ের ব্যবধান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা উচিত, নতুন প্রজন্ম তা বিবেচনা করে, সুবিধা অসুবিধার কথা যাচাই বাচাই করে আরও সামনের দিকে নিজের জীবনকে এগিয়ে নিতে পারবে। হোসেন জিল্লুর রহমান ৬০/৬৫ বছর আগের সিলেট আর এখনকার সিলেট নিয়ে বলতে গিয়ে বলেন তখন সিলেট আরো বেশি ছিমছাম ছিল, তিনি সিলেট শহর নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন শহরকে আরো উন্নত আরো পরিচ্ছন্ন করা দরকার।
এখানে উল্লেখ্য হোসেন জিল্লুর রহমানের সাথে উপস্থিত ছিলেন তাঁর ভাই সস্ত্রীক হাসান জিল্লুর রহমান,সস্ত্রীক ড. মহসিন জিল্লুর রহমান, সস্ত্রীক ড. আদনান মোরশেদ এবং ছোট বোন প্রফেসর ডা. তাহমিনা বানু এছাড়াও ম্যানেজার কমিউনিকেশন জয়ন্ত কুমার পালও উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে লামাবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হোসেন জিল্লুর রহমান ও পরিবার পরিজনদের ফুল দিয়ে বরণ করেন. সিসিকের ১১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রকিবুল ইসলাম ঝলক, স্কুল কমিটির সভাপতি অলিউর রহমান চৌধুরী সোহেল, তৃতীয় কমিটির সভাপতি শাহেদ গাজী, প্রধান শিক্ষিকা আঞ্জুমান আরা বেগম, শিক্ষক শিক্ষিকাদের মধ্যে ছিলেন মোঃ হাসান ইমরান, উবায়দা জেসমিন সুলতানা এবং শুক্লা রানী ভূঁইয়া।