আবীর মো. মুমিত: আসাম মেঘালয়ে হচ্ছে ভারী বৃষ্টি, সে কারনে উজান থেকে আসা পাহাড়ী ঢলে সিলেটে আবারও বন্যার শঙ্কা। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বলছে- সিলেট বিভাগের সিলেট জেলা সদর ও সুনামগঞ্জ এর নদ-নদীগুলোতে পানি দ্রুত বাড়ছে সুতরাং চলতি সপ্তাহেই নদী-তীরবর্তী ও পাহাড়ের নিকটবর্তী এলাকাগুলোতে স্বল্প স্থায়ী বন্যা হতে পারে। তবে বিভাগের হাওরাঞ্চলে ফসল না থাকায় বন্যার পানিতে খুব বেশি ক্ষতির আশঙ্কা নেই।তদুপরি সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আরিফুজ্জামান ভূইয়া গণমাধ্যমকে বলেন, উজানে অর্থাৎ ভারতে ব্যাপক বৃষ্টি শুরু হয়েছে। দেশের ভেতরেও বৃষ্টি বাড়ছে। ফলে তিস্তা অববাহিকা ও সিলেট বিভাগের কয়েকটি স্থানে চলতি সপ্তাহে বেশির ভাগ সময়জুড়ে বন্যা হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, মৌসুমি বায়ু সক্রিয় হওয়ায় সিলেটের বিভিন্ন স্থানে আরও কিছুদিন বৃষ্টিপাত হতে পারে। রবিবার সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় বৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে আসাম ও মেঘালয় সহ ভারতে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে বাংলাদেশের সব নদীতে পানি বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো)।
পাউবো সূত্র জানায়, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট) ও তৎসংলগ্ন ভারতের কিছু স্থানে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। ফলে এ সময়ে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার প্রধান নদ-নদীর পানি নীচু এলাকায় দ্রুত বাড়তে পারে।
পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায় সিলেট শহর ও এর পাশ্ববর্তী এলাকা সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী। বিশেষ করে এখনও সিলেট শহরের জলাবদ্ধতা থাকার কারনে নদীর পানি যদি বিপদসীমা অতিক্রম করে তাহলে বৃষ্টির পানি নদীতে না গিয়ে শহরের নীচু এলাকার বাসা বাড়ীতে ঢুকতে পারে।
আগাম কোন প্রস্তুতি আছে কিনা সে সম্পর্কে জানতে চাইলে সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী এবং সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলীর মোবাইল ফোনে বহুবার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।