পুণ্যভুমি ডেস্ক
অগাস্ট / ২০ / ২০২২
শহরলীর এয়ারপোর্টের বড়শালা এলাকায় প্রায় তিনশত দোকান উচ্ছেদ করে ১৮ একর ভূমি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, তাদের কোনো ধরনের নোটিশ না দিয়ে সংশ্লিষ্টরা উচ্ছেদে নামায় তারা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছেন। অনেকের দোকান বাকি রয়েছে লাখ লাখ টাকা, সেগুলোও আর ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।
শনিবার এই উচ্ছেদ অভিযান পারিচালনা করা হয়।
বড়শালা নয়াবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাবিবুর রহমান বলেন, প্রতিরক্ষা বিভাগের জায়গা ইজারা নিয়ে আমরা ব্যবসা করছিলাম। উচ্ছেদে সময় না দেওয়ায় ব্যবসায়ীরা এখন সর্বস্বান্ত্ব।
সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে ভূমির মালিকানা প্রতিরক্ষা বিভাগের ছিল। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই ভূমি সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তর করে। যে কারণে আমরা সেটি দখল বুঝে নিয়েছি। সেখানে সীমানা প্রাচীর তুলে উন্নয়ন কাজ করা হবে। এছাড়া এর বাইরেও নতুন টার্মিনালের জন্য আরও ১৬০ একর ভূমি অধিগ্রহণ করা হচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদের বিষয়ে তিনি বলেন, ভুমিটি অবমুক্তির জন্য এর আগে এক ব্যবসায়ী মামলা করেছিলেন। সেটি খারিজ হয়েছে। ফলে তাদের সময় বেধে দেওয়া হয়েছিল দোকানপাটসহ স্থাপনা সরিয়ে নিতে। নির্ধারিত সময়ে তারা পদক্ষেপ না নেওয়ায় স্থাপনাগুলো উচ্ছেদে যেতে হয়েছে।