সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার পাটলাই নদীতে পুলিশের অভিযানে ষ্টিল বডি নৌকা ও সাত টন কয়লাসহ পাঁচজন কে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃত নৌকা ও কয়লার মূল্য দু লাখ টাকার বেশি
সোমবার ভোর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের ছিলানী তাহিরপুর গ্রামের সামনে পাটলাই নদীতে তাহিরপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সৈয়দ ইফতেখার হোসেন নিদের্শনার এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটককৃতরা হল,উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়ন তরং গ্রামের আলী নুরের ছেলে
আলী হোসেন(২৫),একেই গ্রামের শাহনুর মিয়া ছেলে ছালিম মিয়া (২৮) ও বেতগর অযুদ মিয়ার ছেলে মোক্তার হোসেন(২৬) আবুল কালামের ছেলে ইব্রাহিম (২৫) এবং মন্দিয়াতা গ্রামের উজ্জ্বল মিয়া ছেলে রুহেল মিয়া(২২)।
জানাযায়,উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকার দিয়ে সীমান্তের চিহ্নিত চোরাকারবারি সরকারের রাজস্ব বঞ্চিত করে সিন্ডিকেট তৈরি করে প্রতিদিন বড়ছড়া,চারাগাও,লালঘাট,চানঁপুর,রন্ধু ছড়াসহ বিভিন্ন এলাকা দিয়ে সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে সরকারের রাজস্ব বঞ্চিত করে মাদকদ্রব্য,কয়লা চুনাপাথর লাখ লাখ টাকার মালামাল চোরাই পথে বাংলাদেশের অভ্যান্তরে এনে রাতের আধারে পাটলাই নদী ও টাংগুয়ার হাওর দিয়ে কলমাকান্দাসহ বিভিন্ন স্থানে পাচার করে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার ভোর রাতে অবৈধ সাত টন কয়লা পাটলাই নদী দিয়ে পাচারের
গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে এস আই আল আমিন,গোলাম হাক্কানী,কনসেটেবল আবুল কাশেম,তানজিদ,আলী আকবর ছিলানী তাহিরপুর গ্রামের সামনে পাটলাই নদীতে অভিযান চালিয়ে একটি ষ্টিল বডি নৌকা ও সাত টন কয়লাসহ ৫ জন আটক করে পুলিশ। এসময় আরও সাত জন পালিয়ে যায়।
তাহিরপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সৈয়দ ইফতেখার হোসেন জানান,সোমবার ভোর রাতে একটি নৌকা ও সাতটন অবৈধ কয়লাসহ পাঁচজন কে আটক করেছে পুলিশ। এসআই আল আমিন বাদী হয়ে ৫জন সহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছে। সকালে আটককৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। কোন অনিয়মকেই ছাড় দেয়া হবে না। অনিয়মকারী যত বড় শক্তিশালী হউক তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।