নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে লাল ড্রাগন চাষে সফলতা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

অগাস্ট / ০১ / ২০২২

লাল ড্রাগন চাষে সফলতা
ad-spce

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে বিদেশি জাতের রসালো ও পুষ্টিকর লাল ড্রাগন ফলে ভরে উঠেছে মাঠ। রঙ , গন্ধ, স্বাদে অতুলনীয় হওয়ায় দেশের বাজারসহ সারা বিশ্বে বিশেষ কদর এবং চাহিদা রয়েছে ড্রাগন ফলের। কিশোরগঞ্জ উপজেলার চাঁদখানা ইউনিয়নের দক্ষিণ চাঁদখান গ্রামে আবরার এগ্রো ফার্ম প্রজেক্টে প্রথমবারের মত বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ড্রাগনের চাষাবাদে মিলেছে সফলতা । ওই এলাকার বাসিন্দা কৃষি উদ্যোক্তা কামরুল ইসলাম কাজলের পরিপাটি বাগানে লাল ড্রাগন উৎপাদন করে সম্ভবনার দুয়ার খুলেছেন। তার বাগানে প্রতিটি গাছের ডগায় ডগায় ৩-৪টি করে দুলছে লাল ড্রাগন ফল। এ অঞ্চলের মাটি, আবহাওয়া ড্রাগন চাষে খুবই উপযোগী হওয়ায় চলতি মৌসুমে ড্রাগন চাষে চমক দেখিয়েছেন তিনি।

এছাড়া ছাড়া রোগ-বালাই কম ও কম পুজিতে বেশি লাভ হওয়ায় অন্যান্যরাও ড্রাগন চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। ফার্মের প্রোডাকশন ম্যানেজার সালাউদ্দিন জানান, কৃষি অফিসের পরামর্শে ২০২১ সালে আবরার এগ্রো ফার্ম প্রজেক্টে ৭০ শতাংশ জমিতে ৫ শতাধিক পিলারে ২০ হাজার চারা রোপণ করা হয়। যশোর থেকে চারা গুলো সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট দুরত্বে প্রতিটি পিলারে ৪টি করে চারা রোপণ করা হয়। ড্রাগন গাছের লতাগুলো বড় হলে খুঁটি বেয়ে টায়ারের ভেতর থেকে বাইরে ঝুলে পড়ে ।এর পর ফল আসা শুরু হয়। রাজধানী ঢাকাসহ স্থানীয় বাজারে প্রথম কিস্তিতে ফল বিক্রি করে ১লাখ ৩০হাজার টাকা এবং চারা বিক্রিতে ৩০ হাজার টাকা আয় আসে।

এ বাগান থেকে চারা সংগ্রহ করে একের পর এক ছাদ বাগানের টবসহ কৃষিজমিতে ড্রাগনের বাগান গড়ে উঠছে। আর চলতি মৌসুমে প্রতিটি গাছে নজর কাড়া ফল এসেছে। প্রতি কেজি ড্রাগনের বর্তমান বাজার মূল্যে ৩শ থেকে৪শ টাকা। এবারে ভাল ফলন পেয়ে ১০লাখ টাকা আয় আশাবাদি তারা। কৃষি উদ্যোক্তা কামরুল ইসলাম কাজল বলেন, বাগান তৈরিতে খরচ হয় প্রায় ৭ লাখ টাকা । শুধু পরিচর্যায় ২০ বছর মিলবে সফলতা । বছরে প্রতিটি গাছ ফলন দেয় ২৫-৩০ কেজি। যা বাগান থেকে প্রতি বছর ১০ লাখ টাকা ফল বিক্রি করতে পারবেন বলে এমন আশাবাদী তিনি । কিশোরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার হাবিবুর রহমান বলেন, কৃষি উদ্যোক্তা কাজল বাণিজ্যিকভিত্তিতে লাল ড্রাগনের বাগান করে সফলতা পেয়েছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় ২ হেক্টর জমিতে ৩০জনের মত কৃষক ড্রাগনের বাগান গড়ে তুলেছেন।

শখের বসে হলেও বাগানগুলো বাণিজ্যিকভাবে গড়ে উঠেছে। এতে স্থানীয়দের পুষ্টির চাহিদা পুরণ হবে। অর্থনৈতিকভাবে কৃষকরাও স্বাবলম্বী হতে পারবেন। উচ্চ মূল্যের এ ফলের বাগান করতে মাঠ পর্যায়ে কৃষককে উদ্বুদ্ব করা হচ্ছে। সাথে নিরাপদ ফল উৎপাদনে সার্বিক পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

ad-spce

সারাদেশ

ad-spce

সর্বশেষ আপডেট

ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে ব্রিটেন-ফ্রান্স-জার্মানি-ইতালি

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ২–২ গোলে ড্র জাপানের

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

দিল্লিতে প্রবেশে বাধা, কলম্বো থেকে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি ঘোষণা, সামরিক অভিযান ‘স্থায়ীভাবে’ বন্ধের সিদ্ধান্ত

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

বেনজীরকে আটক দেশের পুলিশের কৃতিত্ব নয়, ইন্টারপোলের কৃতিত্ব: জামায়াত আমির

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেপ্তার

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

ব্রাজিল ১:১ মরক্কো ভিনির গোলে হার এড়াল ব্রাজিল

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

ভাগ্যিস, আরও গোল হজম করিনি’—ড্র করে স্বস্তি ব্রাজিলের

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

সুখবর! ১০ জেলার মানুষ আজ থেকে পাচ্ছে আইসিইউ

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

নাঈম হাসানকে ‘পুলিশি হেনস্তা’: প্রতিবাদে সরব মুশফিক-লিটন-তাসকিন

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

ad-spce