সরকারি অর্থায়নে ৪৫বছর পূর্বে নির্মিত শয়তান খালী খালের
ওপর নির্মিত সেতুটি পাঁচ বছর পূর্ব থেকে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল।
সেতুটির পাটাতন দেবে যাওয়া ও পিলারসহ বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। যে
কোনো সময় ধ্বসে যেতে পারে। গত পাঁচ বছর ধরে সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ থাকলেও
এলজিইডি কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় সর্ব মহলে ক্ষোব বিরাজ করছে।
এর
পর থেকে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকলেও মানুষ চলাচল সাভাবিক থাকলেও সম্প্রতি
দূর্ঘটনা এড়াতে চলাচল একেবারেই বন্ধ করা হয়েছে। ফলে বিকল্প সেতুর পাশে
বাঁশের তৈরি সাঁকো দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে মানুষজনকে।
এমনি অবস্থা বিরাজ করছে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা সদরের মধ্যবাজারে থাকা শয়তান খালী খালের ওপর নির্মিত সেতুটির।
সম্প্রতি
ভয়াবহ দূর্ঘটনা এড়াতে সেতুটির সংযোগ সড়কের দুই পাশে বাঁশের বেস্টনী দিয়ে
জনচলাচল স্থায়ীভাবে বন্ধ করে সেতুর দক্ষিণ পাশে নিজস্ব অর্থায়নে একটি
বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে দিয়েছেন ধর্মপাশা সদর ইউপি চেয়ারম্যান জুবায়ের
পাশা হিমুর।
সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ায় সাঁকোর ওপর দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষজনকে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে দেখা যায়।
সাঁকো দিয়ে চলাচলকারী আব্দুল লতিফ, আমিন উদ্দিন সহমানুষজন জানায়,এই সেতুটির দুই পাশে রয়েছে এলজিইডির সড়ক।
ঝুঁকি পূর্ণ সেতুটি চলাচল বন্ধ করে দেয়ার সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয় চলাচল করতে হচ্ছে। সেতুটি ভেঙ্গে দ্রুত সেতু নির্মাণের দাবী জানাই।
স্থানীয়
সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের ধর্মপাশা উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ শাহাব উদ্দিন
জানান, সেতুটির অবস্থা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ পরিদর্শন করেছি। নতুনভাবে এই সেতুটি
নির্মাণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ধর্মপাশা
সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জুবায়ের পাশা হিমু জানান,সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে
ঝুঁকিপূর্ণ থাকার পরও এর ওপর দিয়ে মানুষ চলাচলে প্রাণহানির আশঙ্কা ছিল।
জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে নিজস্ব অর্থায়নে এই সাঁকোটি নির্মাণ করে দিয়েছি।
ধর্মপাশার
ভারপ্রাপ্ত ইউএনওর দায়িত্বে থাকা উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার
(ভূমি) অলিদুজ্জামান বলেন, চলাচলের জন্য একটি অস্থায়ী সেতু নির্মাণের
ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।